শনিবার । ১৪ই মার্চ, ২০২৬ । ১লা চৈত্র, ১৪৩২

দু’গ্রামে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নবদম্পতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাটি জীবন হাতে হাত রেখে একে অপরের পাশে থাকার কথা। মৃত্যুর পরও দু’জনের কবরও হবে পাশাপাশি। কিন্তু ভাগ্য সেটি হতে দেয়নি। রামপালের সড়ক দুর্ঘটনায় নব দম্পতিকে আলাদা করে দিল। নববধূ মারজিয়া মিতুর দাফন হল কয়রায় আর স্বামী আহাদুর রহমান সাব্বির চির নিদ্রায় শায়িত হল বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার শেওলাবুনিয়া গ্রামে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাগেরহাটের রামপাল বেলাই ব্রিজে নৌবাহিনী ও যাত্রীবাহী মাইক্রোর মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়। পরে পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই রাতে লাশ হস্তান্তর করা হয়। নববধূ মিতু, ছোট বোন লামিয়া ও তার দাদীর মরদেহ কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামে নেওয়া হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিতুর বাড়ির পাশের মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মিতুর নানী আনোয়ারা বেগমের লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এদিকে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার পর থেকে কয়রার নাকসা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। অপরদিকে মিতুর জামাই সাব্বিরসহ অন্যান্যের মরদেহ মোংলায় নেওয়া হয়। জুম্মার নামাজ শেষে দাফন করা হয়।

গত বুধবার রাতে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকসা গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সালাম মোড়লের মেয়ে মারজিয়া মিতুর সাথে বিয়ে হয় মোংলার শেওলাবুনিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে আহাদুর রহমান সাব্বিরের। বিয়ের পর বর-কনেসহ দুই পরিবারের সদস্যরা মাইক্রোযোগে মোংলায় ফিরছিলেন। মাইক্রোবাসটি রামপাল উপজেলার বেলাইবিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক দিয়ে আসা নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নবদম্পতিসহ ১৪ জন নিহত হন।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন